Recording intelligenceAI-generated brief · check the source for context

#আপুনি অসমীয়া নে অনা অসমীয়া ? #অসমীয়া কাক বোলে? @Osokai

32:40 recording · BN · 2 speakers

Watch the original

Brief overview

অসমীয়ারা নিজের মাটি বহিরাগতকে বেচে দিলে দুই বছর পর কেউ তাদের ভূমিপুত্র বলবে না।

  1. মাটি বেচলে ভূমিপুত্র পরিচয়ও হারায়টাকার লোভে বহিরাগতকে মাটি বেচে নগরে চলে গেলে দুই বছর পর কেউ অসমীয়াকে ভূমিপুত্র বলবে না।
  2. প্রতিবেশী রাজ্যের মতো অসমেও ভূমি আইন চাইমনিপুর, নাগাল্যান্ড, অরুণাচল, মেঘালয়ে বহিরাগত মাটি কিনতে পারে না; অসম সরকারকে তেমন আইন বানাতে হবে।
  3. অসমীয়া হওয়া ভালোবাসা ও কাজের মাপকাঠিতেযে অসমে জন্মেছে, অসমীয়া ভাষা-সংস্কৃতি ও অসমের হিতে কাজ করে সে-ই অসমীয়া; গামোছা নিলেই কেউ অসমীয়া হয় না।
Executive Summary AI
  • সঞ্চালক অতিথি গুপাল সন্দর দাসকে পরিচয় করিয়ে দেন: প্রাক্তন শিক্ষক, পরে ভারত সরকারের কেন্দ্রীয় শুল্ক ও আবগারি বিভাগের সহকারী আয়ুক্ত হিসেবে অবসর নেওয়া, বর্তমানে সমাজকর্মী, যিনি দরিদ্র পরিবারের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপ দেন।
  • অতিথি বলেন, বহিরাগত মারোয়াড়ি, রাজস্থান-বিকানেরের ব্যবসায়ীরা তিন কোটি, সাড়ে তিন কোটি টাকা দিয়ে অসমের মাটি কিনে নিচ্ছে, আর টাকার লোভে অসমীয়ারা নিজের জন্মভূমি বেচে নগর-মহানগরে চলে যাচ্ছে; এভাবে চললে দুই বছর পর কেউ তাদের ভূমিপুত্র বলবে না।
  • তিনি তুলনা করেন যে মনিপুর, নাগাল্যান্ড, অরুণাচল, মেঘালয়ে বহিরাগতরা টাকা দিয়েও মাটি কিনতে পারে না, কিন্তু অসমে দিগবয়, কাকপথার, খামগোলার মাটি টাকায় বিক্রি হয়ে যাচ্ছে, তাই অসম সরকারের একটি আইন বানানো দরকার।
  • অসমীয়া কে এই প্রশ্নে তার উত্তর: যে অসমে জন্ম নিয়েছে, অসমকে কর্মভূমি করেছে, অসমীয়া ভাষা-সংস্কৃতি ও অসমের হিতের জন্য কাজ করে সে-ই অসমীয়া; কেবল গামোছা নিলে বা বিহুতে দান দিলে কেউ অসমীয়া হয় না, আর অসমীয়া সংস্কৃতিকে অপমান করলে সে অসমীয়ার শত্রু।
  • শেষে তিনি যুবকদের চাকরির পিছনে না ছুটে গরু পালন, গোবর, তামুল-পান চাষে নামতে বলেন, জানান তামুল বেচে ৯,০০০ টাকা পেয়েছেন, এবং পেনশনের টাকায় স্কলারশিপ ও লাইব্রেরি নির্মাণে খরচ করার কথা স্বীকার করেন।